বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা কমাতে ও নগরীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল রাখতে রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) নগরজুড়ে ড্রেন পরিষ্কার ও কাদামাটি অপসারণ কার্যক্রম জোরদার করেছে। বিভিন্ন ওয়ার্ডে ড্রেন থেকে ময়লা-আবর্জনা, পলি ও কাদামাটি অপসারণের পাশাপাশি ঝোপঝাড় ও আগাছা পরিষ্কার করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এর অংশ হিসেবে ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের উপশহর, গ্রেটার রোড সংলগ্ন এলাকা এবং পদ্মা আবাসিক এলাকার বিভিন্ন ড্রেন থেকে জমে থাকা কাদামাটি অপসারণ করা হয়। দীর্ঘদিন পরিষ্কার না হওয়ায় অনেক স্থানে পানি চলাচল ব্যাহত হচ্ছিল বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
রাসিক সূত্র জানায়, বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা নিরসন, পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা এবং নাগরিক দুর্ভোগ কমাতে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আবাসিক এলাকা ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।
রাসিক প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার, মশক নিয়ন্ত্রণ, কাদামাটি অপসারণ, বৃক্ষরোপণ, সবুজায়ন ও নগর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন। তার নির্দেশনায় নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে সিটি করপোরেশন।
দড়িখরবোনা এলাকার বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম পলাশ বলেন, গ্রেটার রোড এলাকায় ড্রেন দীর্ঘদিন পরিষ্কার না হওয়ায় বৃষ্টির সময় পানি নিষ্কাশনে সমস্যা সৃষ্টি হতো এবং সড়কে জলাবদ্ধতা দেখা দিত। বিষয়টি রাসিক প্রশাসকের নজরে আনার পর দ্রুত পরিষ্কার কার্যক্রম শুরু হওয়ায় এলাকাবাসী স্বস্তি পেয়েছেন।
ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম তদারকি করেন রাসিকের পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা (মনিটরিং-মশক) জুবায়ের হোসেন মুন, পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা (মনিটরিং) শাহরিয়ার জিতু, পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা (মনিটরিং) আশরাফুজ্জামান সজিবসহ পরিচ্ছন্ন বিভাগের সুপারভাইজাররা।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এর অংশ হিসেবে ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের উপশহর, গ্রেটার রোড সংলগ্ন এলাকা এবং পদ্মা আবাসিক এলাকার বিভিন্ন ড্রেন থেকে জমে থাকা কাদামাটি অপসারণ করা হয়। দীর্ঘদিন পরিষ্কার না হওয়ায় অনেক স্থানে পানি চলাচল ব্যাহত হচ্ছিল বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
রাসিক সূত্র জানায়, বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা নিরসন, পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা এবং নাগরিক দুর্ভোগ কমাতে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আবাসিক এলাকা ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।
রাসিক প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার, মশক নিয়ন্ত্রণ, কাদামাটি অপসারণ, বৃক্ষরোপণ, সবুজায়ন ও নগর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন। তার নির্দেশনায় নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে সিটি করপোরেশন।
দড়িখরবোনা এলাকার বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম পলাশ বলেন, গ্রেটার রোড এলাকায় ড্রেন দীর্ঘদিন পরিষ্কার না হওয়ায় বৃষ্টির সময় পানি নিষ্কাশনে সমস্যা সৃষ্টি হতো এবং সড়কে জলাবদ্ধতা দেখা দিত। বিষয়টি রাসিক প্রশাসকের নজরে আনার পর দ্রুত পরিষ্কার কার্যক্রম শুরু হওয়ায় এলাকাবাসী স্বস্তি পেয়েছেন।
ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম তদারকি করেন রাসিকের পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা (মনিটরিং-মশক) জুবায়ের হোসেন মুন, পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা (মনিটরিং) শাহরিয়ার জিতু, পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা (মনিটরিং) আশরাফুজ্জামান সজিবসহ পরিচ্ছন্ন বিভাগের সুপারভাইজাররা।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :